শাহজাহান বাচ্চু। গত ১১ জুন দুর্বৃত্তদের গুলিতে তিনি নিহত হনমুন্সিগঞ্জের শ্রীনগর উপজেলায় গতকাল বৃহস্পতিবার রাতে কথিত বন্দুকযুদ্ধে নিহত দুই ব্যক্তিই প্রকাশক শাহজাহান বাচ্চু হত্যা মামলার আসামি। এই মামলার আরেক আসামি গত ২৭ জুন বন্দুকযুদ্ধে নিহত হন। নিহত তিনজনই পুরোনো জেএমবির সদস্য বলে জানিয়েছে পুলিশ।
পুলিশ বলছে, গতকাল রাতে নিহত দুই ব্যক্তি হলেন, মো. শামীম ওরফে বোমা শামীম (৩৫) ও এখলাছুর রহমান ওরফে এখলাছ (৩২)। শামীমের বাড়ি কিশোরগঞ্জের পাকুন্দিয়ায়। তাঁর বিরুদ্ধে শাহজাহান হত্যাসহ পাঁচটি মামলা রয়েছে। এখলাছ জামালপুরের খামারপাড়া এলাকার বাসিন্দা। তিনিও শাহজাহান হত্যা মামলার আসামি। এ দুজনই পুরোনো জেএমবির সদস্য। ডাকাতি করে দলের জন্য অর্থ সংগ্রহ করা ছিল তাঁদের কাজ।
মুন্সিগঞ্জ জেলার পুলিশ সুপারের কার্যালয়ে আজ শুক্রবার বেলা সাড়ে ১১টার দিকে সংবাদ সম্মেলনে এসব কথা জানানো হয়। নিহত দুজনের ব্যাপারে লিখিত আকারে বিস্তারিত তথ্য তুলে ধরেন পুলিশ সুপার জায়েদুল আলম।
সংবাদ সম্মেলনে বলা হয়, গত রাতের বন্দুকযুদ্ধে পুলিশের তিন সদস্য আহত হন। তাঁরা মুন্সিগঞ্জ জেনারেল হাসপাতালে চিকিৎসাধীন। বন্দুকযুদ্ধের সময় নিহত ব্যক্তিদের সঙ্গে আরও দুই ব্যক্তি ছিলেন। পালিয়ে যাওয়া ওই দুজনকে গ্রেপ্তারের চেষ্টা চালাচ্ছে পুলিশ।
পুলিশ সুপার আরও বলেন, ‘শাহজাহান বাচ্চু হত্যার প্রধান আসামি জঙ্গি আবদুর রহমানের দেওয়া বর্ণনা ও রেকর্ডের মাধ্যমে নিশ্চিত হয়েছিলাম নিহত শামীম ও এখলাছুর ওই হত্যাকাণ্ডে জড়িত। শামীম নিজে উপস্থিত থেকে হত্যাকাণ্ড পরিচালনা করেন। এখলাস সিরাজদিখান উপজেলায় ভাড়া বাড়িতে থেকে বিভিন্ন এলাকা থেকে অস্ত্রের জোগান দেন। পরে ওই হত্যাকাণ্ডে ব্যবহৃত অস্ত্র গাজীপুরে পাঠান।’
পুলিশ সুপার আরও বলেন, ‘শাহজাহান বাচ্চু হত্যার প্রধান আসামি জঙ্গি আবদুর রহমানের দেওয়া বর্ণনা ও রেকর্ডের মাধ্যমে নিশ্চিত হয়েছিলাম নিহত শামীম ও এখলাছুর ওই হত্যাকাণ্ডে জড়িত। শামীম নিজে উপস্থিত থেকে হত্যাকাণ্ড পরিচালনা করেন। এখলাস সিরাজদিখান উপজেলায় ভাড়া বাড়িতে থেকে বিভিন্ন এলাকা থেকে অস্ত্রের জোগান দেন। পরে ওই হত্যাকাণ্ডে ব্যবহৃত অস্ত্র গাজীপুরে পাঠান।’
সংবাদ সম্মেলনে বলা হয়, বন্দুকযুদ্ধের ঘটনাস্থল থেকে ১টি পিস্তল, ১টি ম্যাগাজিন, ৩টি গুলি, ১১টি তাজা ককটেল, ২টি ছোরা ও ১টি রেজিস্ট্রেশনবিহীন মোটরসাইকেল জব্দ করা হয়।
গত ১১ জুন সন্ধ্যায় মুন্সিগঞ্জের সিরাজদিখানের পূর্ব কাকালদী এলাকায় দুর্বৃত্তদের গুলিতে নিহত হন শাহজাহান বাচ্চু (৫৫)। দুটি মোটরসাইকেলে এসে তাঁকে গুলি করার পর দ্রুত পালিয়ে যান তাঁরা। বাচ্চু একটি প্রকাশনা প্রতিষ্ঠানের স্বত্বাধিকারী ও জেলা কমিউনিস্ট পার্টির সাবেক সাধারণ সম্পাদক। পরদিন তাঁর স্ত্রী বাদী হয়ে সিরাজদিখান থানায় মামলা করেন। গত ২৭ জুন রাতে আবদুর রহমান নামের এক ব্যক্তি পুলিশের সঙ্গে বন্দুকযুদ্ধে নিহত হন। সে সময় পুলিশ জানিয়েছিল, নিহত এই আবদুর রহমানই প্রকাশক বাচ্চু হত্যার প্রধান পরিকল্পনাকারী ও জেএমবির সদস্য।
About jaki
This is a short description in the author block about the author. You edit it by entering text in the "Biographical Info" field in the user admin panel.

0 comments:
Post a Comment